টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তরুণদের জলবায়ু পরিবর্তনের দিকে মনোযোগ দিতে হবে: স্যার ফজলে

আজকের তরুণদের উচিত্ জলবায়ু পরিবর্তনের দিকে মনোযোগ দেওয়া, কেননা তাদের ভবিষ্যতের ওপর এর বড় প্রভাব থাকবে, বলেছেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। তিনি আরো বলেন, “আমরা এখন যেভাবে সম্পদের ব্যবহার করছি, তা পরিবর্তন হওয়া দরকার। এক্ষেত্রে আমি আশা করবো তরুণরা এগিয়ে আসবে। কারণ টেকসই উন্নয়নই সুন্দর ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।”

আজ সোমবার (৪ঠা মার্চ) সাভারের ব্র্যাক সিডিএম-এ দুদিনব্যপী ‘ফ্রুগাল ইনোভেশন ফোরাম’-এর সমাপনী দিনে তিনি একথা বলেন। ‘দক্ষতা, প্রযুক্তি ও তারুণ্য’ - এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ৫ম বারের মতো এই ফোরামের আয়োজন করে বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক। এতে অংশ নেন ভারত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, ইউক্রেন, ভেনেজুয়েলা, তানজানিয়াসহ বিভিন্ন দেশের উন্নয়নকর্মী, সামাজিক উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারবৃন্দ।

সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে কিভাবে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে একটি সেশনে অংশ নেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক। তিনি বলেন, সরকারব্যবস্থা এবং নীতিনির্ধারণের ভেতর যে পার্থক্য সেটা তরুণদের বুঝতে হবে, যাতে তারা এ ক্ষেত্রে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

একটি মনোজ্ঞ বিতর্কে অংশ নেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-এর সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আমরা যেসব সমস্যা নিয়ে কথা বলি বা যেসব উদ্যোগ নিই, তার মধ্যে ভালো উদ্যোগ আছে অনেক। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা হলো সুশাসন, যা না থাকলে কোনো সমস্যারই সমাধান হবে না। তাই তরুণদের উচিত উদ্যোগী হয়ে এগিয়ে আসা।

২০১৩ সাল থেকে এই ফোরামের আয়োজন করে আসছে ব্র্যাক। এর মূল উদ্দেশ্য উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যারা স্বল্প সম্পদ ব্যবহার করে কঠিন নাগরিক ও সামাজিক সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধানের চেষ্টা করেন, তাদের একত্র করা। এখানে প্রতিবছর জড়ো হন বিভিন্ন দেশের নানা বয়সের উদ্ভাবনী মানুষেরা। নিজেদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলো ভাগাভাগি করে নেন তারা।

ফ্রুগাল ইনোভেশন ফোরামের অন্যতম আয়োজক এবং ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক আসিফ সালেহ্ বলেন, আমরা তরুণদের কর্মসংস্থানের ভবিষ্যত নিয়ে কথা বলেছি কারণ এটা এখন আর শুধু দারিদ্র দূরীকরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এখানে নিরাপত্তার প্রশ্নটিও জড়িত। আমাদের চারপাশে যা যা ঘটছে এবং তরুণদের জন্য যেসব মডেল আসলেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব, এই ফোরামে আমরা সেগুলো নিয়েই কথা বলেছি।

দুদিনব্যপী এই ফোরামে বিতর্ক, মতবিনিময় ও কর্মশালায় যেসব বিষয় আলোচনা হয় তার মধ্যে ছিলো তারুণ্যের ওপর প্রযুক্তির প্রভাব, একুশ শতকের উপযোগী দক্ষতা অর্জন এবং তারুণ্যের অগ্রযাত্রা।

আমাদের কর্মস্থল

                

ব্র্যাক কুইজ

কোনটি দারিদ্র্য দূরীকরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?

বিকল্প যোগাযোগ পন্থা