ভুয়া জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমে শিশুবিবাহ ঠেকাতে প্রশাসনের সহযোগিতা জরুরী

৫ জুন ২০১৬। আইনের মাধ্যমে বিয়ের বয়স নির্ধারণ করা হলেও ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করে কম বয়সী মেয়েদেরও বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনও দেখা গেছে, সনদ অনুযায়ী মেয়ের জন্মতারিখ তার মা-বাবাও বলতে পারেন না। এই অনিয়মের হোতাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিতে হবে। আজ রবিবার (৫ জুন) রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে পল্লীবন্ধু এরশাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত শিশু সুরক্ষা মেলায় বক্তারা এ কথা বলেন।

ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেইঞ্জ কর্মসূচির উদ্যোগে এবং ইউনিসেফ-এর সহযোগিতায় সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই মেলা চলে। প্রথম পর্বের আলোচনা সভায় ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেইঞ্জের পরিচালক কেএএম মোর্শেদের সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব মুজিবুর রহমান।  বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অফ কমিউনিকেশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম নেহা কাপিল, ঢাকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মির্জা কামরুন নাহার, সমাজসেবা বিভাগের উপ-পরিচালক খান আবুল বাশার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আরা বেগম, বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন খান, স্থানীয় কাউন্সিলর মফিজুর রহমান প্রমুখ।  সভাটি সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের কর্মসূচি সমন্বয়ক সদরুল হাসান মজুমদার।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের কিশোরীদের প্রতিনিধি হিসেবে শিশুবিয়ে প্রতিরোধকল্পে বক্তব্য রাখা ব্র্যাকের কিশোরী ক্লাবের নেত্রী মণি বেগম, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধকারী রিয়া আক্তার, বর্ষা আক্তার প্রমুখ।

প্রধান অতিথি জনাব মুজিবুর রহমান বলেন, শিশুবিয়ে বন্ধে ২০১৪ সালে গার্লস সামিটে প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ বছরের নিচে শিশুবিয়ের হার শূন্য ও ১৫-১৮ বছর বয়সীদের শিশু বিয়ে এক তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে শিশুবিয়ে মুক্ত বাংলাদেশ নির্মাণের অঙ্গীকার করেছেন। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে নেহা কাপিল বলেন, শিশু ও মাতৃ উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসনীয়। এই দেশে এর ভিত্তি তৈরি হয়ে গেছে, এখন কেবল গতিসঞ্চার প্রয়োজন।

ব্র্যাক ছাড়াও  সাতটি  বেসরকারি সংস্থা এই উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী একটি মেলার আয়োজন করে। এগুলো হচ্ছে ব্লাস্ট, সুরভি, সখি, গুড হিল ট্রাস্ট হেলথ ক্লিনিক, কমিউনিটি ক্লিনিক, কড়াইল সিবিও এবং  ডিএসকে। মেলায় বিভিন্ন স্টলে শিশু ও নারী উন্নয়নমূলক কর্মকা- জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হয়। সবশেষে  ব্র্যাকের কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
 

আমাদের কর্মস্থল

                

ব্র্যাক কুইজ

কোনটি দারিদ্র্য দূরীকরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?

বিকল্প যোগাযোগ পন্থা