রেমিটেন্সের গুরম্নত্ব: দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং বাংলাদেশে জীবিকা উন্নয়ন

২০ জুন ২০১৩, ঢাকা। ব্র্যাক সেন্টার ইনের অডিটরিয়ামে ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো রেমিটেন্সের গুরম্নত্ব: দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং বাংলাদেশে জীবিকা উন্নয়ন র্শীষক একটি কনসাল্টেশন। এতে পেশাজীবি, শিড়্গক, অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সরকারি কর্মকতা, সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং উন্নয়ন ব্যক্তিত্বরা উপসি'ত ছিলেন।

কনসাল্টেশনে অংশগ্রহণকারীরা রেমিটেন্সের গুরম্নত্ব, অভিবাসন ও রেমিটেন্স প্রবাহ সম্পর্কিত পলিসি তৈরি করার গুরম্নত্ব এবং রেমিটেন্সের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং জীবিকার বিকল্প উপায় তৈরির গুরম্নত্ব  নিয়ে আলোচনা করেন। কনসালটেশনে মূল প্রবন্ধ উপস'াপনা করেন ড. মাহবুব হোসেন, নির্বাহী পরিচালক, ব্র্যাক এবং কনসালটেশনটি সঞ্চালনা করেন শীপা হাফিজা, পরিচালক, জেন্ডার জাষ্টিস এ্যান্ড ডাইভারসিটি এ্যান্ড মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম, ব্র্যাক।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. মাহবুব হোসেন মূল প্রবন্ধ উপস'াপনায় উলেস্নখ করেন, ”অভিবাসনকে পরিবারগুলোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে এবং অভিবাসী প্রেরক ও গ্রহণকারী দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয়, অত্যাবশ্যক ও সম্ভাব্য লাভজনক উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ” তিনি তার ১৯৮৮, ২০০০, ২০০৮ এবং ২০১০ সালের গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন।

সংসদ সদস্য, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস'ান মন্ত্রণালয়ের পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এমপি বলেন, ’আয়ের এটি নিট উৎস কেননা অভিবাসীরা বিদেশে উপার্যিত টাকা দেশে পাঠাচ্ছে; অভিবাসীদের নিরাপত্তা ও সুযোগ সুবিধার ব্যপারে আমাদের পুনর্বিবেচনা করা উচিৎ, তাদের সাথে সম্মানজনক ব্যবহার করা উচিৎ কিন' আমরা এখনও তাদেরকে তাদের প্রাপ্য সম্মান ও সহযোগীতা প্রদান করছি না, আমাদের তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা উচিৎ এবং তাদেরকে গতানুগতিক উচ্চ শিড়্গা না দিয়ে কারিগরী শিড়্গার ব্যবস'া করতে হবে যাতে তারা ভালো কাজ ও ভালো আয়ের জন্য তৈরী হতে পারে। তাদের জন্য জাতীয় বাজেটে আরো বরাদ্দ দেওয়া উচিৎ।’

বিশ্ব ব্যাংক ঢাকা অফিস বাংলাদেশের প্রধান অর্থনীতিবিদ, জাহিদ হোসেন বলেন, রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রা অয়ের এক নম্বর উৎস। কিন' আমরা ধরেই নেই যে অভিবাসীরা তাদের উপার্যন আয়বৃদ্ধি মূলক খাতে বিনিয়োগ করে না, কিন' এ ধারণা ঠিক নয়। তারা আয় বৃদ্ধিমূলক খাতে বিনিয়োগ করে। অভিবাসনে বাঁধাগুলো দুর করতে হবে।

ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক, জাফর সোবহান বলেন, ক্রমবর্ধমান রেমিট্যান্সের পরিমানকে সাফল্য ধরে নিয়ে আমাদের খুশি থাকলেই হবে না, বরং আমাদের চিনত্মা করতে হবে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী অভিবাসীরা কতটা অসহায় ও নির্যাতিত এবং বরং কিভাবে তাদেরকে আরো বেশী নিরাপত্তা ও অভিবাসন সুবিধা দেওয়া যায় সে ব্যাপারে মনোযোগ দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দাসগুপ্ত অসীম কুমার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এ্যান্টি মানি লন্ডারিং এ্যাক্ট ছাড়াও রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য আরো অনেক পদড়্গেপ গ্রহণ করেছে; যেমন- ’এক্সচেঞ্জ হাউস স'াপন করা, মোবাইল ব্যাংকিং এর প্রচলন করা, বাংলাদেশ অটোমেটিক ক্লিয়ার হাউস (বিএসিএইচ) প্রতিষ্ঠা করা, অনলাইন ব্যাংকিং, এনপিএস ইত্যাদি। বর্তমানে উপকারভোগীরা আরো দ্রুত রেসিটেন্স সেবা পাচ্ছেন এবং রেমিটেন্সের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

 

আমাদের কর্মস্থল

                

ব্র্যাক কুইজ

কোনটি দারিদ্র্য দূরীকরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?

বিকল্প যোগাযোগ পন্থা