"ব্র্যাকের স্বাস্থ্যসেবায় মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার অনেক কমে এসেছে" - স্যার ফজলে হাসান আবেদ


‘সরকারের অপেক্ষায় না থেকে শহরের পিছিয়ে পড়া বস্তিবাসীদের উন্নয়নে ব্র্যাক কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ব্র্যাক পরিচালিত মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের দরুণ মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার অনেক কমে এসেছে।’ গতকাল শনিবার রাজধানীর ব্র্যাক মিলনায়তনে আয়োজিত এক সম্মেলনের সমাপনী পর্বে এ কথা বলেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, যদিও শহরের বস্তিতে ঠাঁই নেওয়া দরিদ্রদের আয়ের নানা পথ খুলে যায় তবে তাদের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ কমে যায়।

শহরের বস্তিসহ অন্যান্য এলাকার স্বাস্থ্যসেবা আরও ফলপ্রসূ করার কর্মকৌশল নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ব্র্যাক ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইলমেন স্কুল অব পাবলিক হেলথের উদ্যোগে গত ১৯ ও ২০ এপ্রিল এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী দিনে প্রথম পর্বের সভায় রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. মেঘনা গুহ ঠাকুরতার সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ড. দিবালোক সিংহ,  সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজের প্রকল্প উপদেষ্টা সালমা আউয়াল শফি, ডিএফআইডি’র স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. সেলিনা আহমেদ এবং একমাত্রার নির্বাহী পরিচালক শুভাশিস রায়।

দ্বিতীয় পর্বে পলিসি সেশনে ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আইয়ুব রহমান খান, সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর নজরুল ইসলাম।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বস্তিবাসীদের নানামুখী সমস্যা মোকাবেলায় যথাযথ কর্মপরিকল্পনার উপর জোর দেন।
 

আমাদের কর্মস্থল

                

ব্র্যাক কুইজ

কোনটি দারিদ্র্য দূরীকরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?

বিকল্প যোগাযোগ পন্থা